শিরোনামঃ

আনোয়ারায় স্ক্র্যাপ কারখানায় চুরি, পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার দুর্ধর্ষ ডাকাত আলী

আনোয়ারা প্রতিনিধি
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:
ছবি:

চট্টগ্রামের আনোয়ারার খিলপাড়া এলাকার একটি স্ক্র্যাপ কারখানায় চুরির ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় দায়ের করা প্রধান আসামী দুর্ধর্ষ ডাকাত মোহাম্মদ আলীকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৯ জুলাই) ভোররাতে উপজেলার বারখাইন ইউনিয়নের হাজিগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সে ওই এলাকার মৃত জালাল আহমদের পুত্র।

এরআগে গত শনিবার (২৫ জুলাই) রাতে উপজেলার খিলপাড়া এলাকার মোহছেন আউলিয়া ট্রেডার্স নামে একটি স্ক্র্যাপ কারখানায় প্রায় ৮ লাখ টাকার মালামাল চুরির ঘটনা ঘটে। এঘটনায় কারখানাটির মালিক মামলার বাদী এহছানুল করিম হাসান (৪৯) মোহাম্মদ আলীকে প্রধান আসামী করে আনোয়ারা থানায় মামলা দায়ের করেন।

স্ক্র্যাপ কারখানার মালিক এহছানুল করিম হাসান (৪৯) বলেন, 'চুরির ঘটনারপরই থানায় তার বিরুদ্ধে আমি মামলা দায়ের করি। পুলিশ সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখে ডাকাত মোহাম্মদ আলীকে শনাক্ত করে এবং অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। কারখানার লোহারটিন কেটে নিয়ে গেছে প্রায় ৮ লাখ টাকার লোহার স্ক্র্যাপসহ বিভিন্ন দামী মালামাল। এসব উদ্ধারে আমি প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।'

মামলাটি তদন্তকারী কর্মকর্তা (এসআই) মো. আলমগীর বলেন, গত শনিবার খিলপাড়া এলাকার একটি স্ক্র্যাপ কারখানায় চুরির ঘটনায়ও কারখানাটির মালিক তাকে প্রধান আসামী করে  মামলা করেছেন। পুলিশ তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে।

বুধবার দুপুরে থানা পুলিশের দেওয়া প্রেস বিজ্ঞাপ্তিতে জানায়, ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী দুর্ধর্ষ ডাকাত সর্দ্দার মোহাম্মদ আলী (৫২) বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, সন্ত্রাস ও অপহরণসহ ১১টির অধিক চাঞ্চল্যকর মামলা রয়েছে থানায়। তথ্য প্রযুক্তি ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বারখাইন এলাকার হাজীগাঁওতে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। অভিযান টের পেয়ে পাহাড়ের জঙ্গলের দিকে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাকে ধাওয়া করে গ্রেপ্তার করে। গত ২০ বছরেরও অধিক সময় আনোয়ারাসহ আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন অপরাধ কার্যক্রম চালাতো। হাজীগাঁও পরিত্যক্ত কটনমিল এলাকা ও পাহাড়ের গহীন জঙ্গলে অবস্থান করে ডাকাতি, ছিনতাই, চুরিসহ নিয়মিত বিভিন্ন অপরাধ কার্যক্রম করে আসছে।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জুনায়েত চৌধুরী জানায়, 'তাকে গ্রেপ্তারের জন্য আনোয়ারা থানা পুলিশের একটি দল দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছিল। অবশেষে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। অস্ত্র মামলায় তিনি ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি। এছাড়া তার বিরুদ্ধে মোট ১০টি মামলা রয়েছে এবং একাধিক মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি সে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।'

বিষয়:

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL