শিরোনামঃ

পর্যটক বরণে প্রস্তুত পাহাড়

সাকিব মামুন
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি: সাকিব মামুন
ছবি: সাকিব মামুন

পাহাড়, অরণ্য আর ঝর্ণার অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি খাগড়াছড়ি এখন পর্যটকদের বরণে পুরোপুরি প্রস্তুত। আলুটিলা গুহা, রিছাং ঝরনা, জেলা পরিষদ পার্ক ও মায়াবিনী লেকসহ জেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলো নতুন রূপে সেজেছে। পর্যটকদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

ঈদুল আজহার টানা লম্বা ছুটিতে পাহাড়ের প্রধান পর্যটন কেন্দ্রগুলো পর্যটকদের স্বাগত জানাতে পুরোপুরি প্রস্তুত। বর্ষার আবহে অপরূপ রূপ ধারণ করা পাহাড়-মেঘের মিতালির পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়িতে এবার বিপুলসংখ্যক পর্যটকের সমাগম ঘটবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। পর্যটকদের নিরাপত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এদিকে সরকারি চাকরিজীবীদের টানা সাত দিনের লম্বা ছুটিকে কেন্দ্র করে রাঙামাটির পর্যটন ব্যবসা চাঙ্গা হয়ে ওঠার আশা করছেন ব্যবসায়ীরা। জেলার প্রধান আকর্ষণ সাজেক ভ্যালি ছাড়াও ঝুলন্ত সেতু, কাপ্তাই হ্রদ, পলওয়েল পার্ক, আরণ্যক, সুবলং ঝরনা, রাঙাদ্বীপ ও লেকভিউ আইল্যান্ড এখন পর্যটকদের উপস্থিতিতে মুখরিত হওয়ার অপেক্ষায়।

রাঙামাটি পর্যটন ও হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক অলোক বিকাশ চাকমা জানান, পর্যটকদের বরণের জন্য সব প্রস্তুতি শেষ। ইতিমধ্যে আমাদের হলিডে কমপ্লেক্সের প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ রুম অনলাইন ও অফলাইনে বুকিং হয়ে গেছে।

সাজেক রিসোর্ট অ্যান্ড কটেজ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা জন জানান, ঈদের দিন সাজেকের সব রুম বুকিং রয়েছে এবং ঈদের পরের দিন থেকে পরবর্তী এক সপ্তাহ পর্যন্ত প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ রুম আগাম বুকিং হয়ে আছে। এছাড়া কাপ্তাই হ্রদে ভ্রমণের জন্য ট্যুরিস্ট বোটগুলো সংস্কার ও রঙের কাজ শেষ করেছেন ব্যবসায়ীরা বলে জানান নৌযান ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. ফখরুল ইসলাম।

খাগড়াছড়ি জীপ সমিতির লাইনম্যান মো. আরিফ জানান, সাধারণত প্রতিদিন ১-২ গাড়ি পর্যটক সাজেকে আসা যাওয়া করলেও ঈদের ছুটির শুরুর পর সেটি বেড়েছে। ঈদের দিন থেকে পর্যটকদের উপস্থিতি আরও বাড়বে বলেও জানান তিনি। 

ট্যুরিস্ট পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিশাত রায় জানান, জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও ট্যুরিস্ট পুলিশের পক্ষ থেকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পর্যটকরা যাতে নির্বিঘ্নে ঘুরতে পারেন এবং কোনো হয়রানির শিকার না হন, সেজন্য গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে হেল্প ডেস্ক বসানো হয়েছে।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত বলেন, ঈদকে সামনে রেখে পর্যটকদের জন্য সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এছাড়াও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

বিষয়:

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL