সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ৬৯তম CMC Day উপলক্ষে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ৭৯ নম্বর ওয়ার্ডের অর্থোপেডিক ও ট্রমা বিভাগে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালিয়েছে পার্কভিউ হসপিটাল লিমিটেড। দিনব্যাপী এ কার্যক্রমে হাসপাতালটির ২২ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী অংশ নেন। এ সময় ওয়ার্ডের ছয়টি ওয়াশরুম সংস্কার এবং বাকি ছয়টিতে প্রয়োজনীয় মেরামত করা হয়।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৭৯ নম্বর ওয়ার্ডের অর্থোপেডিক ও ট্রমা বিভাগের বিভিন্ন অংশে এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পার্কভিউ হসপিটালের মার্কেটিং ও হাউজকিপিং বিভাগের যৌথ উদ্যোগে কর্মীরা ওয়ার্ডের বিভিন্ন অংশ পরিষ্কার করেন।
পার্কভিউ হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এটিএম রেজাউল করিমের পরিকল্পনায় এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দিনের সার্বিক সহযোগিতায় কর্মসূচিটি বাস্তবায়ন করা হয়। পার্কভিউ হসপিটালের মার্কেটিং ম্যানেজার জাহেদুল ইসলামের দিকনির্দেশনায় এ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
এতে সার্বিক সহযোগিতা করেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৭৯ নম্বর ওয়ার্ডের অর্থোপেডিক ও ট্রমা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. কাওসারুল মতিন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা রোগীদের মানসম্মত সেবা দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ ধরনের উদ্যোগ অন্য প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদেরও সামাজিক দায়িত্ব পালনে উৎসাহিত করবে।
পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলাকালে বিভাগের চিকিৎসক, নার্স, রোগী ও রোগীর স্বজনরা পার্কভিউ হসপিটাল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।
পার্কভিউ হসপিটাল কর্তৃপক্ষ জানায়, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সদর হাসপাতাল ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে বছরজুড়ে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় চমেক হাসপাতালের ৭৯ নম্বর ওয়ার্ডে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
কর্মসূচিতে পার্কভিউ হসপিটালের মার্কেটিং বিভাগের সহকারী ম্যানেজার নিজাম উদ্দীন, মার্কেটিং অফিসার আব্দুস সোবহান, জহিরুল ইসলাম, দিদারুল আলম, রাজ্জাকুল হায়দার ও তালুকদার মশিউর রহমান, কর্পোরেট অফিসার হেলাল পারভেজ এবং হাউজকিপিং অফিসার মো. আরিফসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
পার্কভিউ হসপিটাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের পরিচ্ছন্নতা, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।