চট্টগ্রামের বাকলিয়া এক্সেস রোডের মৌসুমি আবাসিক এলাকায় নির্মাণাধীন একটি ভবনে ডেকে নিয়ে আশফাক নামের এক তরুণকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নিহতের বাবা আবুল হাশেম সিকদার চকবাজার থানায় সাতজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন বিকেলে আশফাককে তার বন্ধু ফারদিন হাসান মোবাইল ফোনে ডেকে ওই এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া কয়েকজন তরুণ তাকে ধারালো অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে পাশের নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায়।
পরে ভবনের ভেতরে আশফাক হামলাকারীদের হাত থেকে বাঁচতে ওপরতলার দিকে চলে যান। অভিযোগ রয়েছে, এ সময় ভবনের নিরাপত্তাকর্মী এনামুল হক গেট খুলে দিলে হামলাকারীরা আবার ভেতরে প্রবেশ করে তাকে মারধর করে। একপর্যায়ে তাকে ভবনের আটতলা থেকে লিফট শ্যাফটের ফাঁকা অংশে ফেলে দেওয়া হয়।
গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা আশফাককে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বাবা দাবি করেন, তার ছেলে কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা দ্রুত উদ্ঘাটন করে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি।
চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবুল আজাদ জানিয়েছেন, এ ঘটনায় ইতোমধ্যে নিরাপত্তাকর্মীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।