মহেশখালীতে খুচরা মাদক বিক্রেতাসহ এক যুবককে আটক করেছে কালারমারছড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ রাজু।
১৫ জুলাই (বুধবার) গতস্থ রাত ১১টার দিকে কক্সবাজার মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া চালিয়াতলী থেকে ২২ পিচ ইয়াবাসহ খুচরা মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করতে সক্ষম হয়, কালারমারছড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই রাজু আহমদ গাজীর নেতৃত্বে এএসআই আসাদসহ সঙ্গীয় ফোর্স। আটক খুচরা ইয়াবা ব্যবসায়ী আব্দুল হক (২৯) ওই এলাকার আবুল কালাম ও আমেনা বেগমের পুত্র।
সূত্রে জানান, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুস সুলতান এর নির্দেশে মাদক উৎখাত করে পুরো উপজেলাকে সুরক্ষা রাখতে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেন। তারও ধারবাহিকতায় অবিরত অভিযান পরিচালনার অংশ বিশেষ গতস্থ রাত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদক বিরোধী অভিযান চালানো হয়। ওইসময় আব্দুল হক নামক একজনকে ২২পিচ ইয়াবাসহ আটক করা হয়। আটককৃত যুবকের ভাষ্যমতে ওই এলাকার মফিজসহ একাধিক যুবক ইয়াবার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
স্থানীয় প্রত্যেক্ষদর্শীদের ভাষ্য- আটককৃত যুবক গরীব ঘরে খেটেখাওয়া মানুষের ছেলে। তবে মুখোশের আড়ালে মাদক নিয়ে আটক হওয়া দেখে অবাক। যুবসমাজ ধ্বংসকারী মরণব্যধি ইয়াবাসহ অন্যান্য মাদকের সাথে যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সংপৃক্ততা রয়েছে তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে এলাকাকে মাদক মুক্ত করতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নিকট অনুরোধ সচেতন মহলের। এদিকে মাদক ব্যবসায়ীরা প্রশাসনের তৎপরতা দেখলে সুফি সাহেব সাজে। ওইসব অবৈধ ব্যবসার পিছনে বড় বড় লাঘব বোয়ালেরা রয়েছে বলে ধারণা সচেতনমহলের।
এমনকি মরণব্যধি ইয়াবাসহ মাদক যেভাবে সেবনকারী নিজকে নষ্ট করে, তেমন পিতা-মাতাকেও টেনশনে রেখে আর্থিক হয়রানী করে। এইসব মাদকের সাথে সংপৃক্তরা সমাজ ও রাষ্ট্রের শত্রু। তারা যেকোন সময় অবৈধ কাজে জড়ায়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার সংশ্লিষ্ট বাহিনীর প্রতি অনুরোধ সর্বসাধারণের।
মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুস সুলতান এবিষয়ে জানান, মাদক নিয়ে আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা রুজু করে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক নির্মূল করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।