চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে গ্লাস ফ্যাক্টরীর বর্জ দুষন অতিষ্ট কয়েক হাজার বাসিন্দা। ক্যামিকেলযুক্ত বর্জ মিশ্রিত পানি দুষনে স্বাস্থ্য ও ফসলহানীতে জনজীবন বিপর্যন্ত হয়ে পড়েছে। দুষন বন্ধে প্রতিকার চেয়েও সমস্যার সমাধান পাচ্ছে স্থানীয়রা।
উপজেলার বাড়বকুন্ড ইউনিয়নের চারের কান্দি এলাকায় অবস্থিত গ্লাস কারখানা দ্বারা দুষনের অভিযোগ উঠেছে। বর্জ ও ক্যামিকেল মিশ্রিত পানিতে দুষন ছড়িয়ে পড়ায় বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠেছে কয়েক গ্রাম। বায়ু ও পানি দুষন মারাতœক আকার ধারন করায় পরিবেশ ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়েছে। কারখানার দুষিত পানিতে শত শত একর অবাদী জমির ফসলহানী ঘটছে। রাসায়ানিক দ্রব্য পুকুর ও নালার পানিতে মিশে যাওয়ায় দুষিত পানি ব্যবহারে নানা অজানা রোগ দেখা দেয়ায় স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়েছে শিশু-কিশোর ও বয়োবৃদ্ধরা। এ পরিস্থিতিতে কারখানার দুষনের কবলে পড়ে মানবেতন জীবন যাপন করছে এলাকাবাসী।
তারা বলেন,‘ দিনে-রাতে খালে সাদা রঙের পানি ফেলা হয়। আবর্জনাযুক্ত পানি খাল হতে বাড়ি-ঘর , পুকুর ও কৃষি জমিতে ছড়িয়ে পড়ে। র্দুগন্ধ পানি নির্গত হলে নিশ্বাস বন্ধ হওয়াার উপক্রম হয়। ক্ষতিকারক ক্যামিকেলে ফসলের নষ্ট হচ্ছে। বাতাসে মিশে যাওয়া ক্যামিকেলে শ্বাস কষ্ট ও চর্ম রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু-কিশোর ও বয়োবৃদ্ধরা। দুষন বন্ধের প্রতিকার চাইতে গেলে উল্টো নাজেহাল হতে হয়।
প্রতিষ্ঠান পরিচালনায় পরিশোধন ব্যবস্থা রাখা শিল্প ও পরিবেশন আইনে বাধ্যবাধকতা রয়েছে। উৎপাদনের লক্ষমাত্রা অনুপাতে বর্জ পরিশোধন ইটিপি প্লান স্থাপনের পর উৎপাদন শুরু করতে হবে। অথচ উৎপাদনের পরিধি বৃদ্ধি পেলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে পরিশোধন ব্যবস্থার পরিবর্তন করা হয় না। এক্ষেত্রে আইনি বাঁধা না থাকায় কারখানার দুষন বন্ধ হয় না।
এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক জমির উদ্দিন বলেন,‘ পরিবেশ দুষনের অভিযোগ পেয়ে আইননি পদক্ষেপ নেয়া হয়। গ্লাস ফ্যাক্টরীর দুষনের সত্যতা নিশ্চিতে নির্ধারীত কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া আছে। দুষনের সত্যাতা পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয় বলে জানান তিনি।