চট্টগ্রামের সীতাকুন্ডে ডেঙ্গুর পার্দুভাব ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। সর্দি-কাশি ও জ্বরে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা সেবা গ্রহনকালে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ধরা পড়ছে ডেঁঙ্গু। গত এক সপ্তাহে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩০ জন ভর্তি হয়। ভর্তির রোগীদের মধ্যে রোগীদের অবস্থা অধিকতর গুরুত্বর না হওয়ায় হাসপাতালের চিকিৎসায় সুস্থ্য হয়ে উঠেছে বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: মো আলতাফ হোসেন।
তিনি বলেন,‘ জলবায়ু পরিবর্তনের কারনে রোগ-বালায় বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিন নানা রোগ নিয়ে ভর্তি হচ্ছে নানা বয়সী রোগীরা। ধারন ক্ষমতা অধিক রোগী ভর্তি হলেও সেবায় কোনো প্রকার গাফিলতি নেই। গত দুই সপ্তাহ হাম ও ডেঙ্গুর পার্দুভাবে ৩০ জন রোগী ভর্তি হয়। যথাযথ চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে রোগীরা। তবে পরীক্ষা নিরীক্ষায় ডেঙ্গু রোগীর সনাক্ত অব্যাহত রয়েছে। পর্যাপ্ত কিট মজুদ থাকায় রোগ নির্নয়ে হয়রানিতে পড়তে হচ্ছে না। এরমধ্যে গতকাল সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ফুলতলায় জাবেদ আলি নামের এক স্থানীয় বাসিন্দার ৫ বছরের চট্টগ্রাম মেডিকেলে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থা মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে, ডেঙ্গু মারাতœক রুপ নেয়ায় জনমনে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। এডিস মশার লার্বা হতে ডেঙ্গুর বিস্তার লাভ করলেও জনসচেতনতায় পদক্ষেপ নেই। বৃষ্টির জমে থাকা পানিতে এডিস মশার লার্বাও ডেঙ্গু আক্রান্তের অন্যতম কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ডেঁঙ্গু প্রতিরোধে কঠোর নির্দেশনা সত্বে পদক্ষেপ গ্রহনে উদ্সীন পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ।
এ বিষয়ে পৌর ও ইউনিয়ন পরিষদ প্রশাসক ফখরুল ইসলাম বলেন,‘ ডেঙ্গুর প্রতিরোধে নির্ধারীত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে আশংকজনকহারে ডেঙ্গুর মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশেষ কর্মসূচি হাতে নেয়া হবে বলে জানান তিনি।