মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে দুই ঘণ্টার ঝড়ে এখনো অন্ধকারে রয়েছে মীরসরাইয়ের বিভিন্ন এলাকা। সারাদিন বিদ্যুৎ লাইন মেরামত ও সড়কে উপড়ে পড়া গাছ কেটে সড়কে চলাচল স্বাভাবিক করতে বিদ্যুৎ কর্মীদের সঙ্গে কাজে নেমেছেন স্থানীয়রাও।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কালবৈশাখী ঝড়ে বারইয়ারহাট পৌরসভা, মীরসরাই পৌরসভা, মীরসরাই সদর ইউনিয়ন, মিঠানালা, ওয়াহেদপুর, দুর্গাপুর, খৈয়াছড়া, কাটাছড়া ও ওয়াহেদপুর ইছাখালী ইউনিয়নে বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপকভাবে গাছপালা উপড়ে গেছে। অনেক জায়গায় গাছ পড়ে ভেঙে গেছে ঘরবাড়ি। ঝড়ো হাওয়ায় উড়ে গেছে অসংখ্য বসত ঘরের টিনের চাল। বড় বড় গাছ পড়ে বন্ধ হয়ে যায় আঞ্চলিক সড়ক। বোরো ধান, আম ও কাঁঠালের অনেক ক্ষতি হয়েছে।
খৈয়াছড়া ইউনিয়নের পূর্ব পোলমোগরা গ্রামের নিশাত বলেন আমাদের ঘরের উপর বড় গাছ ভেঙ্গে পড়েছে অল্পের জন ঘরেন সবাই রক্ষা পাই অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের কুষক করিম বলেন বসতঘরে গাছ পড়ে পুরোঘর চুন্ন-ভিচুন্ন হয়ে যায় এমতাবস্থায় ামার মেয়ে ও নাতনিরা ঘরের বাহিরে থাকায় প্রাণে বেঁচে যায়
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোমাইয়া আক্তার
বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ে উপজেলা জুড়ে অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণের কাজ চলছে।
চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ মীরসরাই জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) আদনান আহমদ চৌধুরী বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ে গাছপালা ভেঙে বিদ্যুতের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। লাইনে গাছ/ডালপালা ভেঙে পড়ে অসংখ্য ট্রান্সফরমার ও মিটার নষ্ট হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। আমাদের সব জনবল ও ঠিকাদার বৈদ্যুতিক বিতরণ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের কাজে দিন রাত নিয়োজিত রয়েছে। জান মালের নিরাপত্তার স্বার্থে সব লাইন চেক করে পর্যায়ক্রমে চালু করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।