শিরোনামঃ

পেকুয়ায় মোবাইল পার্টসের দোকানে আগুন, ক্ষতি ১২-১৪ লাখ টাকার দাবি

নাজিম উদ্দিন
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি: নাজিম উদ্দিন
ছবি: নাজিম উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় একটি মোবাইল পার্টসের দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে দোকানটি পুড়ে গিয়ে প্রায় ১২ থেকে ১৪ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার টইটং ইউনিয়ন হাজিবাজার এলাকার ‘মা টেলিকম’ নামক দোকানে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পেকুয়া ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তবে এর আগেই দোকানের সব মালামাল সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত দোকানের মালিক নবী হোসেন বলেন, প্রতিদিনের মতো তিনি দোকান বন্ধ করে বাসায় চলে যান। পরে বাজারের নৈশ প্রহরী তার বাসায় গিয়ে দোকানে আগুন লাগার খবর দেন। বাজারে এসে তিনি দেখেন, দোকানের সব মালামাল আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

তিনি বলেন, আমি মোবাইল, মোবাইলের বিভিন্ন পার্টস ও ডিসপ্লে পাইকারি দামে বিক্রি করি। ঘটনার দিন সকালে ও সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম থেকে দুই দফায় নতুন মালামাল এনে দোকানে রাখি। আগুনে প্রায় ১২ থেকে ১৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আইপিএসের ব্যাটারি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে তার ধারণা।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে নবী হোসেন বলেন, এনজিও সংস্থা আশা ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করছিলাম। আগুনে সব শেষ হয়ে গেছে। এখন স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কী করব, কোথায় যাব বুঝতে পারছি না।

বাজারের নৈশ প্রহরী খোরশেদ আলম বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ের কারণে দুপুর থেকে বিদ্যুৎ ছিল না। রাত ৯টার পর বাজারের বেশিরভাগ দোকান বন্ধ হয়ে যায়। ডিউটির সময় দেখি ‘মা টেলিকম’ দোকানে আগুন জ্বলছে। দোকান মালিককে মোবাইলে বারবার কল দিয়েও সংযোগ না পেয়ে মোটরসাইকেলে তার বাসায় গিয়ে খবর দিই। পরে তিনি বাজারে আসেন। এর আগেই অনেক ক্ষতি হয়ে যায়।

তিনি আরও বলেন, পরে আশপাশের দোকানদার ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

স্থানীয়রা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বিষয়:

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL