শিরোনামঃ

পেকুয়ায় বিদ্যুতের ভেলকিবাজি,এসএসসি পরীক্ষার্থীদের চরম দুর্ভোগ

নাজিম উদ্দিন
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি: সংগ্রহীত
ছবি: সংগ্রহীত

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলাকালে পেকুয়ায় ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিভ্রাটে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক, গৃহিণী ও ব্যবসায়ীরা। গত ২১ এপ্রিল থেকে পরীক্ষা শুরু হলেও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় পড়ালেখায় মারাত্মক ব্যাঘাত ঘটছে। দিনে মাত্র ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে, তাও আবার দীর্ঘ সময় নয়, বারবার লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ।

স্থানীয়রা জানান, রাত ১টার আগে অনেক সময় বিদ্যুতের দেখা মেলে না। মাঝেমধ্যে এলেও আধাঘন্টার বেশি স্থায়ী হয় না। একদিকে প্রচণ্ড গরম, অন্যদিকে বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।

এসএসসি পরীক্ষার্থী সুবর্ণা শাওরিন বলেন, পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর থেকে ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারছি না। রাতে পড়তে বসলে বিদ্যুৎ চলে যায়। গরমে ঘুমানোও যায় না, পড়ালেখাও সম্ভব হয় না। মাঝেমধ্যে উঠানে পাটি বিছিয়ে মোবাইলের আলো দিয়ে পড়তে হয়। এতে পরীক্ষার প্রস্তুতি খুব খারাপ হচ্ছে।

আরেক পরীক্ষার্থী রাকিবুল হাসান বলেন, মোমবাতি আর চার্জলাইট দিয়ে পড়তে হচ্ছে। অনেক সময় মোবাইলের চার্জও থাকে না। সামনে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা, কিন্তু বিদ্যুতের কারণে মানসিক চাপ বেড়ে গেছে।

গৃহিণী রুজিনা আক্তার বলেন, দিন-রাত বিদ্যুৎ না থাকায় ঘরের কাজকর্ম করতে খুব কষ্ট হচ্ছে। ফ্রিজে খাবার রাখা যায় না, পানিও ঠান্ডা থাকে না। ছোট ছোট বাচ্চাদের নিয়ে খুব দুর্ভোগে আছি।

স্থানীয় ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম ও আব্দু শুক্কর বলেন, বিদ্যুতের অভাবে দোকানে ব্যবসা করা কঠিন হয়ে গেছে। ফ্যান চলে না, কাস্টমার বসতে চায় না। ফ্রিজে রাখা পানীয় ও অন্যান্য পণ্য নষ্ট হওয়ার উপক্রম।

অভিভাবক ও সচেতন মহল বলছেন, পরীক্ষা চলাকালে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত লোডশেডিং কমানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে পল্লীবিদ্যুত জোনাল অফিস পেকুয়ার এজিএম ফিরোজ কবীর এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়। সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।  

বিষয়:

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL