শিরোনামঃ

বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন আজ

প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে শনিবার সারা দেশে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল করবে বিএনপি। মা খালেদা জিয়ার জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া মোনাজাত ও দরিদ্র অসহায়দের মাঝে অনুদান বিতরণ করবেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

নিজস্ব প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। ছবি: সংগ্রহীত
প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। ছবি: সংগ্রহীত

শনিবার মহাখালী কড়াইল টিঅ্যান্ডটি মাঠে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ঢাকা-১৭ সংসদীয় আসন। এ ছাড়াও নয়াপল্টন বিএনপি কেন্দ্রীয় অফিসে বেলা ১১টায় বিএনপি আয়োজিত দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে শুক্রবার সকালে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।


এতে বলা হয়, সারাদেশে দলীয় কার্যালয়ে অথবা মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান হবে। আর ঢাকায় সকাল ১১টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ কর্মসূচি পালন করা হবে। এ কর্মসূচি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।


বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্ম অবিভক্ত ভারতের জলপাইগুড়িতে, ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্ট। পারিবারিক নাম খালেদা খানম, ডাকনাম পুতুল। তার বাবা ইস্কান্দার মজুমদারের বাড়ি ফেনীতে হলেও তিনি জলপাইগুড়িতে বোনের বাসায় থেকে পড়ালেখা করেন। 


পরে সেখানে চা ব্যবসায় জড়ান ইস্কান্দার; বিয়েও করেন তিস্তা পাড়ের শহরটিতে। ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের পর খালেদা জিয়ার পরিবার বাংলাদেশের দিনাজপুর শহরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করে। সেখানে মিশনারি স্কুলে প্রাথমিকের গণ্ডি পেরানোর পর দিনাজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হন খালেদা।


১৯৬০ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমানের সঙ্গে খালেদার বিয়ে হয়। পরে স্বামীর কর্মস্থল পশ্চিম পাকিস্তানে চলে যান। স্বাধীনতার পর ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপি গঠন করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ১৯৮১ সালে এক ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে জিয়ার মৃত্যুর পর বিএনপির হাল ধরেন তার স্ত্রী খালেদা জিয়া, তখন তিনি নিতান্তই একজন গৃহবধূ।


১৯৮৩ সালে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সাতদলীয় জোট গঠন করে এরশাদবিরোধী আন্দোলন শুরু করে। সেই আন্দোলনে এরশাদ সরকারের সঙ্গে কখনো আপস করেননি খালেদা। অন্য প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো সমঝোতা করলেও খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি কোনো সমঝোতায় যায়নি। তাই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে তার নাম হয় আপসহীন নেত্রী।


নানা শারীরিক জটিলতা নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৩০ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া মারা যান। তিনবারের এ প্রধানমন্ত্রী মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বিএনপির চেয়ারপারসন ছিলেন।


ক্ষমতাসীন দলটির নেতৃত্বে এখন আছেন তার জ্যেষ্ঠ ছেলে তারেক রহমান, যিনি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকারপ্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন।

বিষয়:

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL