চট্টগ্রামের হাটহাজারী পৌরসভার কলেজ গেইট এলাকার কনক কমিউনিটি সেন্টারে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৫ জুন) রাতে হাটহাজারী পৌরসভা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন কর্তৃক বাংলাদেশ স্বাধীনতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান শীর্ষক এই সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (এমপি)।
পৌরসভা বিএনপি'র আহবায়ক মো. জাকের হোসেনের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মো. ওহিদুল আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর সালেহ জহুর। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. আশরাফুল আজম খান, উপজেলা বিএনপি'র আহবায়ক নূর মোহাম্মদ এবং সদস্য সচিব মো. গিয়াস উদ্দীন। সভায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন স্তরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, আজ আমরা গভীর শ্রদ্ধা ও বিনম্র ভালোবাসার সঙ্গে স্মরণ করছি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে। স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন সেক্টর কমান্ডার হিসেবে তিনি জাতিকে সাহস ও প্রেরণা দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করে তিনি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, শিল্পায়ন, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করেন।
তিনি আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন যে বাংলাদেশের উন্নয়নের মূল শক্তি হলো দেশের জনগণ। তিনি আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেশের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছিলেন। ১৯৮১ সালের ৩০ মে তাঁর নৃশংস হত্যাকাণ্ড জাতির জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তবে তাঁর আদর্শ, দেশপ্রেম, কর্মনিষ্ঠা এবং জাতীয়তাবোধ আজও কোটি মানুষের হৃদয়ে প্রেরণার উৎস হয়ে আছে। পরিশেষে প্রতিমন্ত্রী শহীদ জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে বলেন, আসুন, আমরা তাঁর আদর্শ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করি এবং একটি সমৃদ্ধ, গণতান্ত্রিক, শান্তিপূর্ণ ও উন্নত বাংলাদেশ গঠনে নিজেদের নিয়োজিত করি।