শিরোনামঃ

খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ পুনর্গঠন, চেয়ারম্যান ম্রাসাথোয়াই মারমা

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধি
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি: সংগ্রহীত
ছবি: সংগ্রহীত

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ম্রাসাথোয়াই মারমা। একই সঙ্গে ১৪ জন সদস্য নিয়ে নতুন করে ১৫ সদস্যের পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার।

বৃহস্পতিবার পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মঙ্গল চন্দ্র পাল স্বাক্ষরিত ওই অফিস আদেশে বলা হয়, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ আইন, ১৯৮৯, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ১৯৯৭-এর ১৬ক (৪) উপধারা এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০১৪-এর ২ (২) উপধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার নতুন করে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ গঠন করেছে।

এর আগে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর জিরুনা ত্রিপুরাকে চেয়ারম্যান করে ১৫ সদস্যের অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদ গঠন করা হয়েছিল। দায়িত্ব নেওয়ার পর পরিষদ পরিচালনা নিয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ও বিতর্ক ওঠে। এর পরিপ্রেক্ষিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ২০২৫ সালের ৭ জুলাই তাকে পরিষদের সব কার্যক্রম থেকে বিরত রাখার আদেশ দেয়।
পরদিনই জেলা পরিষদের সদস্য সেফালিকা ত্রিপুরাকে অস্থায়ী চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এবার তার নিয়োগ বাতিল করে ম্রাসাথোয়াই মারমাকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলো। একই সঙ্গে আগের পরিষদ পুনর্গঠন করে নতুন ১৫ সদস্যের পরিষদ গঠন করা হয়েছে।

নতুন পরিষদের চেয়ারম্যান ম্রাসাথোয়াই মারমা সরাসরি বিএনপির কোনো সাংগঠনিক পদে না থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে মারমা জনগোষ্ঠীর মধ্যে সংগঠক হিসেবে সক্রিয় ছিলেন এবং বিএনপির পক্ষে কাজ করেছেন বলে স্থানীয় রাজনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।

নতুন অন্তর্বর্তীকালীন পরিষদের সদস্যরা হলেন—খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমএন আবছার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুল মালেক মিন্টু, মোশারফ হোসেন, শান্তিপ্রিয় চাকমা, দেবরানী চাকমা, ক্ষেত্রমোহন রোয়াজা, কুহেলী দেওয়ান, তাছলিমা সিরাজ সিমা, ক্যরী মগ, মংসাপ্রু চৌধুরী, রুমেল মারমা, নারায়ণ ত্রিপুরা, খনি রঞ্জন ত্রিপুরা ও রিপল চাকমা।

নতুন পরিষদ দায়িত্ব নেওয়ার পর খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও সক্রিয় হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। পাশাপাশি পার্বত্য জেলা পরিষদের আওতাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও স্থানীয় সেবামূলক কার্যক্রমে নতুন পরিষদের ভূমিকার দিকেও নজর থাকবে স্থানীয়দের।

বিষয়:

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL