শিরোনামঃ

নাইক্ষ্যংছড়িতে স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত প্রযুক্তির প্রয়োগ শীর্ষক,দু'দিনের সেমিনার শেষ হল

মাঈনুদ্দিন খালেদ
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি: মাঈনুদ্দিন খালেদ
ছবি: মাঈনুদ্দিন খালেদ

নাইক্ষ্যংছড়িতে স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ শীর্ষক ২ দিনের সেমিনার ও প্রদর্শনী শেষ হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার  ( ১৮  জুন) সকালে এ   প্রদর্শনী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সমাপনী অনুষ্ঠান শেষ হয় ।  এর আগে ১৭ জুন এ সেমিনারের প্রথম পর্ব হয় উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিয় শুরু হয়।  প্রদশনীতে  ১০ টি স্টল অংশ নেয়। উল্লেখযোগ্য স্টল গুলো হল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস,নাইক্ষ্যংছড়ি হাজি এম.এ কালাম সরকারী কলেজ, ছালেহ আহমদ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়,উপজেলা মৎস অফিস,প্রাণী সম্পদ অফিস ও নাইক্ষ্যংছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ সহ ১০ টি প্রতিষ্ঠান।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের আয়োজনে
এ প্রদর্শণী বাস্তবায়ন করেছেন নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রশাসন।

সমাপনী দিবসে অনুষ্ঠানে  প্রবন্ধ উপস্থাপক ছিলেন ঢাকাস্থ বিসিএসআইআর এর সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার মো: সাজ্জাদ হোসেন,অপর সাইন্টিফিক অফিসার আমিন হোসেন।
অবশ্য এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে থাকার কথা ছিল বান্দরবান জেলা প্রশাসক সামিউল ফেরদৌস। 

সভায় সভাপতিত্ব করবেন,নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এনামুল হাসান।
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন,বাহিরের প্রযুক্তির চাইতে স্থানীয় প্রযুক্তিতে সরকার আগ্রহী বলে এ ধরণের সেমিনার ও প্রদর্শনীর আয়োজন।
স্থানীয়ভাবে উদ্ভাবিত লাগসই প্রযুক্তির প্রয়োগ ও সম্প্রসারণ করা হলে দেশ হবে স্বনির্ভর। আর এ জন্যে প্রথমেই এগিয়ে আসতে হবে শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে। বিজ্ঞান চিন্তার বিকাশ ঘটিয়ে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে এ প্রয়োগ ক্ষেত্রের প্রসার ঘটাতে হবে। আর এতে করে দেশ হবে আত্মনির্ভরশীল ও আত্মমর্যাদাপুর্ণ। 

এদিকে প্রদর্শনীতে অংশ নেয়া ১০ টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩ টি প্রতিষ্ঠানকে শ্রেষ্ট পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
প্রতিষ্ঠান ৩ টি হলো প্রথম স্থানে হাজী এমএ কালাম ডিগ্রি কলেজ,দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি ছালেহ আহমদ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ও তৃতীয় স্থান অধিকার অধিকার করেছে নাইক্ষ্যংছড়ি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ। 
সভায় উপস্থিত ছিলেন,নাইক্ষ্যংছড়ি সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইসরাত জাহান ইতু,থানার ওসির প্রতিনিধি সেকেন্ড অফিসার আব্বাসী,পরিসংখ্যান অফিসার রিমন রুদ্রু প্রমূখ।

বিষয়:

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL