শিরোনামঃ

পেকুয়ায় জাল দলিলের মাধ্যমে জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ, আইনি ব্যবস্থার দাবি

নাজিম উদ্দিন
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি: নাজিম উদ্দিন
ছবি: নাজিম উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়ায় প্রায় ১ একর ৯৮ শতক জমির দলিলের পৃষ্ঠা, সূচি ও তফসিল পরিবর্তন করে জালিয়াতির মাধ্যমে জমাভাগ খতিয়ান সৃষ্টি এবং সেই নথির ভিত্তিতে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে পেকুয়ার চৌমুহনীতে সাংবাদিকদের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন সাইফউদ্দিন আহমদ মাখন। তিনি দাবি করেন, মগনামা মৌজার ১ একর ৯৮ শতক জমির রেকর্ডভুক্ত মালিক ছিলেন উম্মে সালমা। তাঁর মৃত্যুর পর ওয়ারিশরা জমিটি ভোগদখলে রয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, ২০০৮ সালের ১৪ মে নিবন্ধিত ২৪১৪ নম্বর কবলা দলিলের তফসিল, সূচি ও পৃষ্ঠা পরিবর্তন করে গোপনে ৪২০৪, ৪০১৬ ও ৪০৬৫ নম্বর তিনটি জমাভাগ খতিয়ান সৃষ্টি করা হয়। এ ঘটনায় দিদারুল আলম চৌধুরী, মো. ইলিয়াছ, নজরুল ইসলাম ও খাইরুল বশর (আমিন খাইরুল বশর) জড়িত বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি), পেকুয়া কার্যালয়ে ২৯/২৬, ৩০/২৬ ও ৩১/২৬ নম্বর তিনটি মিস মামলা দায়ের করা হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সৃষ্ট খতিয়ানগুলো খারিজ করে এবং সংশ্লিষ্ট জমি মূল খতিয়ানে পুনর্লিপিবদ্ধ করার আদেশ দেন বলে তার দাবি।

সাইফউদ্দিন আহমদ মাখনের ভাষ্য, গত দুই বছর ধরে তিনি ও অন্য ওয়ারিশরা নানা ধরনের হয়রানির শিকার হচ্ছেন। অভিযুক্তরা ভাড়াটে লোকজন নিয়ে জমি দখলের চেষ্টা, কৃষকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছেন বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে মগনামা ইউনিয়ন পরিষদ ও গ্রাম আদালতেও অভিযোগ করা হয়। গ্রাম আদালতের রায়ও তাদের অনুকূলে এসেছে বলে তিনি দাবি করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে অভিযোগের তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে নুরুল হুদা চৌধুরী (রুমেল) উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়:

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL