কক্সবাজারের পেকুয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের গোপন বৈঠকের অভিযোগে ১৯ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ১৭ আগস্ট (সোমবার) পেকুয়া থানার সহকারী পরিদর্শক (এসআই) সায়েদুর রহমান বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন। যার মামলা নম্বর (১২/২৬)। দায়ের করা মামলায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও ২০/২৫ জনকে আসামী করা হয়েছে।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ আগস্ট রাত আনুমানিক ২টার দিকে পেকুয়া উপজেলার বারবাকিয়া ইউনিয়নের বুধামাঝির ঘোনা এলাকার ‘ইফাদ সাইক্লোন সেন্টার’ এর মাঠে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা গোপন বৈঠকে মিলিত হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। বৈঠকের মাধ্যমে অর্থায়ন, ষড়যন্ত্র, প্ররোচনা, প্রচেষ্টা, সহায়তা ও সহযোগিতার মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। গোপন সলবাদ পেয়ে পুলিশের একটি দল সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা সরকার বিরোধী স্লোগান দিতে দিতে পালিয়ে যায়।
মামলার আসামিরা হলেন, ফোরকান বিন কামাল (২৫), মাঈন উদ্দিন (২৫), মো. ইয়াসিন (২৫), মো. ফয়সাল উদ্দিন (২৮), আব্দুল হালিম (২৬), মো. রিফাত (২৬), মো. ফোরকান (২৫), আমিনুর রশিদ (৩২), মো.মিনহাজ (২৫), মো. জুবায়ের (২৪), মো.বেলাল প্রকাশ টুপি বেলাল (৩৭), মো. ছোটন (২২), আমিন বিপ্লব (৩৫), মো. শাহজাহান (২৬), মো.জাকারিয়া (৩০), ইমরান হাসান ইমরু (২৬), মো. বেলাল (২৫),
ফায়সাল মাহবুব (২৪) ও মিজান (২৪)। এদের মধ্যে মামলার ৪ নম্বর আসামী মো.ফায়সালকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্তরা নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের কার্যক্রমের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করেছেন।
এ বিষয়ে জানতে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.মেহেদী হাসানের মুঠোফোনে একাধিক বার কল করা হলেও রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া যায়নি।
মামলার বাদী সহকারী পরিদর্শক (এসআই) সায়েদুর রহমান বলেন, মামলায় একজন আসামী গ্রেফতার হয়েছে। তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।