শিরোনামঃ

চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানির জোয়ার—এলএনজি ও ডিজেল নিয়ে এলো নতুন ট্যাংকার

ইয়াছির আরফাত
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি:
ছবি:

চট্টগ্রাম বন্দরে জ্বালানি আমদানির গতি আরও বেড়েছে। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও ডিজেল নিয়ে দেশের জলসীমায় প্রবেশ করেছে আরও দুটি ট্যাংকার, যা জাতীয় জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বন্দর সূত্রে জানা গেছে, অ্যাঙ্গোলা থেকে এলএনজি বহনকারী ‘লবিটো’ ট্যাংকারটি শনিবার (১৮ এপ্রিল) বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করেছে। একই সময়ে ২৭ হাজার ৩৬৩ টন ডিজেল নিয়ে ‘নেভী সিয়েলো’ নামের আরেকটি জাহাজও দেশে পৌঁছেছে। এছাড়া মালয়েশিয়া থেকে ‘গোল্ডেন হোরাইজন’ নামের আরও একটি জ্বালানিবাহী ট্যাংকার রবিবার (১৯ এপ্রিল) চট্টগ্রাম বন্দরে আসার কথা রয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) এক লাখ ৮ হাজার টন ডিজেল নিয়ে বন্দরে আসে তিনটি ফুয়েল মাস্টার ট্যাংকার—এমটি ওকট্রি, এমটি কেপ বনি ও এমটি লিয়ান সং হু। এসব জাহাজ থেকে পর্যায়ক্রমে জ্বালানি খালাস করা হচ্ছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জ্বালানি সরবরাহে কোনো ধরনের বিঘ্ন এড়াতে জ্বালানিবাহী জাহাজের বার্থিংকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আগামী ২০ ও ২১ এপ্রিলের মধ্যে প্রায় ৬৬ হাজার টন ডিজেল নিয়ে ‘এমটি প্যাসিফিক ইন্ডিগো’ ও ‘এমটি হাফনিয়া চিতা’ নামের আরও দুটি ট্যাংকার বহির্নোঙরে পৌঁছাবে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানান, চলতি বছরের মার্চের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ক্রুড অয়েল, এলপিজি ও এলএনজিসহ বিভিন্ন জ্বালানি নিয়ে অন্তত অর্ধশতাধিক জাহাজ বন্দরে এসেছে। এতে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পখাতে জ্বালানির সরবরাহ স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হচ্ছে।
জ্বালানির ধারাবাহিক আমদানির ফলে আসন্ন গ্রীষ্ম মৌসুমে বিদ্যুৎ চাহিদা মোকাবিলায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিষয়:

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL