শিরোনামঃ

মামলার বাদি নন আবুল কালাম, ছবি ব্যবহারে আমির-ফোরকানের প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক
| প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
 ছবি: সংগ্রহীত
ছবি: সংগ্রহীত

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় একটি জায়গা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন ঘিরে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। মামলার বাদি না হয়েও আবুল কালামকে মামলার বাদি হিসেবে উপস্থাপন এবং জায়গার সঙ্গে কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা না থাকা সত্ত্বেও আমির হোসেন ও ফোরকানের ছবি ব্যবহার করে ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র করে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

আবুল কালামের দাবি, আবুল কালাম সংশ্লিষ্ট মামলার বাদি নন। অথচ তাকে মামলার বাদি হিসেবে উল্লেখ করে চাঁদা দাবিসহ বিভিন্ন অভিযোগ করা হয়েছে। এতে সামাজিকভাবে তার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ায় আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে আমির হোসেন ও ফোরকানের অভিযোগ, আব্দুল খালেকের জায়গার সঙ্গে তাদের কোনো ধরনের সম্পর্ক বা বিরোধ নেই। এরপরও তাদের ছবি ব্যবহার করে সংবাদ সম্মেলনের ব্যানার তৈরি করা হয়েছে। এভাবে ছবি ব্যবহার করে তাদের একটি বিরোধের সঙ্গে জড়ানো এবং জনসম্মুখে উপস্থাপন করা সম্মানহানিকর বলে মনে করেন তারা।

বিষয়টি নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়া কয়েকজনের বক্তব্যেও ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে আবদুল শুক্কুর জানিয়েছেন, মামলা নিষ্পত্তি করার জন্য তাদেরকে বাজালিয়া নিয়ে যাওয়ার কথা বলে সংবাদ সম্মেলন নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে আমির হোসেন ও ফোরকানের সঙ্গে ওই জায়গা নিয়ে তাদের কোনো ধরনের বিরোধ নেই। আবুল কালামকে মামলার বাদী হিসেবে উপস্থাপন এবং আমির হোসেন ও ফোরকানের ছবি ব্যবহারের বিষয়ে পূর্ব থেকে কিছুই জানেন না বলে দাবি করেছেন তিনি।

আমির হোসেন বলেন, মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলনের ব্যানারে আমাদের ছবি দিয়ে মানহানি করা হয়েছে। আব্দুল খালেকোর জায়গার সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। মূলত স্থানীয় আবছারের সঙ্গে আমাদের পূর্ব বিরোধ থাকলেও সেটি সমাধান হয়। এরপরও তিনি ব্যানারে আমাদের ছবি দিয়ে মানহানি করেছেন। আমরা জনগণের কাছে এর বিচার চাই।

ফোরকান বলেন, আমরা চাঁদাবাজি করেছি এটি যদি সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেওয়া নারী-পুরুষরা প্রমাণ দিতে পারেন তাহলে জনগণ যে বিচার করবে সেটি মাথা পেতে নিব। আর যদি আমরা নিরপরাধ হয়ে থাকি তাহলে যারা আমাদের সম্মানহানি করেছে তাদেরকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।

আবুল কালাম বলেন, আব্দুল খালেক শারীরিকভাবে অক্ষম একজন মানুষ। আমাদের গ্রামের একটি মাদ্রাসায় তিনি জায়গাও দান করেছেন। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তার অন্যান্য জায়গাগুলো উদ্ধারের জন্য আমাকে এবং আবছারকে অনুরোধ করেছিলেন। এরপর আমরা সার্ভেয়ার দিয়ে পরিমাপ করে সীমানা পিলারও স্থাপন করেছিলাম। পরবর্তীতে এ কার্যক্রম থেকে আবছার সরে দাঁড়ান। মূলত আব্দুল খালেক আমি তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। এখানে আমি কোন মামলার বাদিও না। কিন্তু সম্প্রতি একটি সংবাদ সম্মেলন করে আমার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি ও মামলায় জড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে জানতে নুরুল আবছারের ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, মূলত সংবাদ সম্মেলনের আয়োজকরা ওই জায়গাটি সরকারি নাকি খতিয়ানভুক্ত এটি সনাক্ত করে দেওয়ার জন্য নিয়ে গিয়েছিল। ব্যানারে ছবি ব্যবহারের বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা।

বিষয়:

এলাকার খবর

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

// Facebook Graph API URL