প্রচণ্ড প্রসববেদনা নিয়ে আজ মঙ্গলবার রাত ৯ টার দিকে একজন গর্ভবতী আসন্ন প্রসবা মা হাসপাতালে আসছিলেন। কিন্তু হাসপাতালে প্রবেশের আগেই হাসপাতাল চত্বরেই শুরু হয়ে যায় তার প্রসব। দ্রুত খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এক মুহূর্ত দেরি না করে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. রাকিবুল ইসলামের নেতৃত্বে নার্স টুম্পা রাণীসহ অন্যান্য নার্স, হাসপাতালের স্টাফরা ছুটে যান।
সিএনজিতেই অত্যন্ত জরুরি পরিস্থিতিতে নিরাপদে ওই গর্ভবতী মা'র প্রসব সম্পন্ন করা হয়। তারপর মা ও নবজাতককে আরও নিবিড় পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের গাইনি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে মা ও নবজাতক দুজনেই সুস্থ রয়েছেন। হ্যাঁ এটাই বর্তমান সরকারি হাসপাতালের বাস্তবতা। রোগীর চাপ প্রচণ্ড কিন্তু জনবল সীমিত। তারপরও প্রতিদিন শত শত রোগীর চাপ সামলাতে হয় সীমিত জনবল দিয়ে। কিন্তু হাসপাতালে সেবার ক্ষেত্রে কারও কার্পণ্য নেই।
ডাক্তার, নার্স ও স্টাফরা নিজেদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে প্রতিনিয়ত মানুষের জীবন রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন।
এই হাসপাতালের দেয়ালের ভেতরে প্রতিদিন শুধু চিকিৎসা হয় না—প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের জীবন বাঁচানোর লড়াই হয়। আজকের মা ও নবজাতকের সুস্থতাই সেই লড়াইয়ের আরেকটি বাস্তবতার প্রমাণ দিলেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।